বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ০৬:৫৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
এইচএসসি, আলিম ও সমমান পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী সকল পরীক্ষার্থীর প্রতি আন্তরিক দোয়া ও শুভকামনা। মু. সালাহউদ্দিন আইউবী জাতীয় সংসদ সদস্য, গাজীপুর-৪ (কাপাসিয়া)। উপজেলা নির্বাহী অফিসার ডাঃ তামান্না তাসনীমকে কাপাসিয়ায় কর্মরত সাংবাদিকদের  বিদায়ী সংবর্ধনা এইচএসসি, আলিম ও সমমান পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী সকল পরীক্ষার্থীর প্রতি আন্তরিক দোয়া ও শুভকামনা। মু. সালাহউদ্দিন আইউবী সংসদ সদস্য, গাজীপুর-৪ (কাপাসিয়া)। আত্মহত্য মহাপাপ, আত্মহত্যা মানে শুধু  নিজের জীবনের ধংশ নয়,পরিবার পরিজন ও রাষ্ট্রীয় অনেক স্বপ্নকে ধংশ করা। এই মাত্র কাপাসিয়া ফকির মজনুশাহ সেতু থেকে অজ্ঞাতনামা এক তরুণী ঝাপ দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করলে স্থানীয়রা উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে চিকিৎসা চলছে কাপাসিয়া ফকির মজনুশাহ সেতু থেকে অজ্ঞাতনামা এক তরুণী ঝাপ দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা ব্র্যাক ব্যাংক এর ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে অদ্য বিকেল ৫ঘটিকায় ব্যাকব্যাংক কাপাসিয়া শাখার উদ্যোগে এক আলোচনা সভা ব্র্যাক ব্যাংক এর ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে অদ্য বিকেল ৫ঘটিকায় ব্যাকব্যাংক কাপাসিয়া শাখার উদ্যোগে এক আলোচনা সভা কাপাসিয়ায় ব্র্যাক ব্যাংকের ২৫ বছর পূর্তি উদযাপন।
বিজ্ঞপ্তি :

সাতক্ষীরা জেলার কালিগঞ্জ থানার, ভূমিদস্যু কাজী কবিরের দৌরাত্ম 

বাংলা প্রতিদিন প্রতিবেদক : 

সাতক্ষীরা জেলার কালিগঞ্জ থানার ঠেকরা কাজীপাড়া গ্রামের কাজী কবির। যে কোন মানুষ তাকে দেখলে মনে করবে তিনি একজন ঈমানদার ব্যক্তি রয়েছে লম্বা দাড়ি, নামাজ পড়ে কপালে অনেক বড় দাগ পড়ে গেছে।

এলাকাবাসি সূত্রে জানা যায়, কাজী মোহাম্মদ কাজী আব্দুল্লাহ বেঁচে থাকাকালীন এ ঝামেলা গুলো করে বাধিয়ে গিয়েছেন। কাজী নুরুল ইসলাম নুরু মোহাম্মদের আপন বড় ভাই। তিনি মৃত কাজী আব্দুল্লাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে বলেন তিনি সকল ঝামেলার মূল হোতা ছিলেন।  বড় ভাইয়ের কাছ থেকে মৃত কাজী আব্দুল্লাহ হজ্বে যাওয়ার আগে ১৮ শতক জমি লিখে নিয়েছেন। তাহলে আমাদের জমিটা কোথায়, এছাড়া রেকর্ড মূলে একজনের জমি আরেক জনের ভিতরে দিয়ে ঝামেলা সৃষ্টি করে গিয়েছেন বললেন কাজী নুরু।

বাংলা প্রতিদিনের অনুসন্ধানের জানা যায়  মৃত কাজী আব্দুল্লার যত কাগজপত্র দলিল রয়েছে সকল কাগজপত্র জেল কাস্টোরিতে জব্দ  রয়েছেন। এই দুই নাম্বারি করার কারণে।  মৃত কাজী আব্দুল্লার মেয়ে জামাই ভূমিদস্যু কাজী কবির।  সুমনের আপন চাচাতো ভাই কাজী জাহাঙ্গীর আলম বলেন, মৃত কাজী আবদুল্লাহ তিনি আমার দাদা। দাদা মারা যাওয়ার পরে সকল কাগজপত্র চুরি করে নিয়ে গিয়েছিল।

জমি মেপে বোঝা যায় কাজী কবির ঐ প্লোডে ২২ শতক জমি ভুল বুঝিয়ে জবর দখল করে খাচ্ছেন, কাজী কবিরের বাসায় কাজী শফিকুল ইসলামসহ পাঁচ ভাই ভিটে বাড়ির ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি “দৈনিক বাংলা প্রতিদিনকে’ বলেন, তোমাদের ভিটের উপরে বাড়ি আমার, জায়গা আমার, পুকুর আমার।

এদিকে কাজী কবির বাদী হয়ে কুশুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদে জমি সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে বিচারের আয়োজন করেন। পরবর্তীতে কুশুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ আবুল কাশেম এর নেতৃত্বে বিচারে বসেন। প্রথম বিচারের দিন তিনি দলিল কাগজপত্র দেখালেন, কাজী সুমন সহ পাঁচ ভাই ওনারাও কাগজপত্র দেখাইলেন।  পরবর্তী  সালিশে দুই পক্ষের দুজন অ্যাডভোকেট উপস্থিত ছিলেন, এদিকে কাজী কবির যে দলিল গুলো বিচারকদের সামনে নিয়ে এসেছিল তার মধ্যে  ৩টি দলিলে কাটাকাটি করা ছিল।  বিবাদী পক্ষের ক্রিমিনাল কোর্টের অ্যাডভোকেট মো: রফিকুল ইসলাম দলিল কাটাকাটি দেখে আশ্চর্য হয়ে বললেন এটা কি করেছেন এত কাটাকাটি কেন এই কাজটি আপনারা ঠিক করেন নাই।

দুইজন অ্যাডভোকেটের সিদ্ধান্তই কাজী কবির ৮৬ শতাংশ জমির রায় পেয়ে যায়, কুশুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ আবুল কাশেম আরো বলেন ৮৬ শতক জমি আপনাকে বুঝিয়ে দেওয়ার পরে যদি কোন জমি থাকে সেটা মূল মালিক পাবে এভাবেই রায় হয়ে যায় বিচারে।  চেয়ারম্যান সহ ঐ বিচারে অনুমতি দিলেন একটি সরকারী ভালো আমিন নেওয়ার জন্য।  জমি মেপে ৮৬ শতক জমি পাইবেন কাজী কবির এর বাহিরে এক শতক অথবা পাঁচ শতক জমি বেশি থাকলে মূল মালিক পাবে বলে জানিয়েছেন বিচারের রায়ে।

ইউনিয়ন পরিষদের  রায়ের প্রেক্ষিতে সরজমিনে যেয়ে জমি মাপার পরে দেখা যায় কাজী কবির যতটুকু কিনেছেন সবটুকু ভোগ দখলে রয়েছে, ৪৫৬ দাগে কাজী কবিরকে বুঝিয়ে দেয়ার পর ২২ শতক জমি বেশি বেশি ছিলো।  এদিকে কাজী কবির এই বিচার না মানার কথা বলেছেন,  গত ২০/০২/২০২৫ ইং তারিখ শফিকুল ইসলামসহ চার ভাইকে বিচারে ডাকে বিচারে উপস্থিত হলেন শফিকুল ইসলামসহ চার ভাই, দুঃখের বিষয় ওই বিচারে তাদেরকে কোন কথা বলার সুযোগ দিচ্ছেন না এক পর্যায়ে তাদেরকে বাহির করে দিলেন কুশুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদ থেকে, তারপরে ইউনিয়ন পরিষদের মাঠে এসে দাঁড়ালেন চার ভাই, হঠাৎ কাজী কবিরের সন্ত্রাসী বাহিনী, সন্ত্রাসী কাজী হাফিজ , কাজী রাসেল, রউফ মড়ল, চরিত্রহীন দাউদ জামাত কর্মী, কাজী মোহাম্মদ, কাজী নুরো, প্রফেসর কাজী রওনাকুল ইসলাম, ভদ্র খালি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় এর সাবেক শিক্ষক বর্তমান বিএনপি ৬ নং নং ওয়ার্ড সভাপতি কাজী শহিদুজ্জামান শহিদুল, বিএনপি নেতা মোঃ কাজী সাইফুল ইসলাম, সহ জামাতের কয়েকজন নেতা কর্মী এসে বেধর মারপিট করলেন চার ভাইকে, কুশুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সকল বিচারকে অমান্য করে ভূমিদস্যু কাজী কবির চলে গেলেন সাতক্ষীরার এডিএম কোর্টে মামলা করলেন ১৪৫ ধারা, তারপরে জমির মূল মালিকপক্ষ কাজী সুমন বাদী হয়ে মামলা করলেন ১৪৫ ধারা এ ডিএম কোর্টে,দুই পক্ষের মামলা থাকা সত্ত্বেও ভুমিদস্যুরা থেমে নেই।  প্রতিনিয়ত হুমকি দমকিসহ বাড়াবাড়ি করলে ঘোম করে দিবে বলে বিভিন্ন লোক মারফত শুনে আতংকিত আছেন ভুক্তভোগীরা।

Share this news as a Photo Card


আপনার মতামত লিখুন :

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।


WP2Social Auto Publish Powered By : XYZScripts.com

সাতক্ষীরা জেলার কালিগঞ্জ থানার, ভূমিদস্যু কাজী কবিরের দৌরাত্ম 

১১ জুন বৃহস্পতিবার ২০২৬ ইং
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
দৈনিক বাংলা প্রতিদিন.কম
DBP news
https://dailybanglapratidin.com