হাজী সাইফুল ইসলাম: দৈনিক বাংলা প্রতিদিন
আশার গল্প: রাহিমার(,ছদ্ধ নাম)নতুন সকাল
রাহিমা একসময় খুব হাসিখুশি ছিল। কিন্তু ধীরে ধীরে পড়াশোনার চাপ, পরিবারের দুশ্চিন্তা আর নিজের ভেতরের অস্থিরতা তাকে ভেঙে দিতে শুরু করল। সে ভাবতে লাগল, তার কষ্ট কেউ বুঝবে না। একদিন খুব মন খারাপ নিয়ে সে একা বসে ছিল। ঠিক তখনই তার ছোট বোনটি এসে একটি ছবি দেখাল—সেখানে সে, রাহিমা, আর তাদের মা-বাবা, ভাইবোন সবাই মিলে হাসছে। ছবির নিচে লেখা ছিল, “আমার মেয়ে রহিমা একদিন বিখ্যাত ছেতি অর্জন করবে আর সেই সম্মান নিয়ে আমি সমাজে মাথা উঁচু করে দাড়াব।”
রাহিমার চোখ ভিজে উঠল। সে বুঝল, তার অনুপস্থিতি শুধু তার নিজের নয়, আরও অনেকের জীবনকে অন্ধকার করে দিতে পারে। সে সেই মুহূর্তেই তার সবচেয়ে বিশ্বাসের মানুষটিকে সব খুলে বলল। পরিবার তাকে দোষ দিল না, বরং পাশে দাঁড়াল। পরে একজন পরামর্শদাতার সাহায্য নিয়ে রাহিমা ধীরে ধীরে নিজের ভেতরের ভার কমাতে শিখল। সে বুঝল, কষ্ট লুকিয়ে রাখলে তা বাড়ে, আর ভাগ করে নিলে তা হালকা হয়।
কয়েক মাস পর রাহিমা আবার হাসতে শিখল। সে জানল, জীবন কখনোই এক মুহূর্তের কষ্টে শেষ হয়ে যায় না। অন্ধকার যতই ঘন হোক, আলো ফিরে আসার পথ সবসময় থাকে।
শিক্ষা: তুমি একা নও। সাহায্য চাওয়া দুর্বলতা নয়, বরং বাঁচার সাহস। অতএব, আত্ম মহাপাপ, আত্মহত্যা মানে শুধু নিজের জীবনের ধংশ নয়,পরিবার পরিজন ও রাষ্ট্রী অনেক স্বপ্নকে ধংশ করা।