বাংলা প্রতিদিন নিউজ ডেস্ক :
আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে সম্ভাব্য প্রার্থী নাটোরের নলডাঙ্গার এডভোকেট এম রাশেদুজ্জামান রাশেদকে সমর্থন দিয়েছেন স্থানীয় জনগণ। সামাজিক ও রাজনৈতিক মহলে ইতোমধ্যে তাকে নিয়ে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসাবে আলোচনার প্রাণকেন্দ্রে। স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ চায় এডভোকেট এম রাশেদুজ্জামান রাশেদ (সাজু) নলডাঙ্গার কৃতি সন্তান। একজন মেধাবী ও পরিশ্রমী দলের দুর্দিনের কান্ডারি সাবেক এই ছাত্রনেতা। দীর্ঘদিন ধরে রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা রাখার পাশাপাশি সামাজিক কর্মকান্ড, নানামুখী জনকল্যাণমূলক কর্মের সাথে নিজেকে যুক্ত রাখার কারণে তিনি এ আসনে যোগ্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হতে পারেন। তিনি জনগণের সমর্থন পেলে এলাকার সেবক হয়ে জনগণের কল্যানে নিজেকে বিলিয়ে দিবে। আমি নলডাঙ্গার এবং আপনাদের সন্তান আপনাদের ভালোবাসা আমার চলার পথে ও কাজের উৎসাহ যোগাবে।
এডভোকেট এম রাশেদুজ্জামান রাশেদকে দীর্ঘদিন ধরে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের ও যুবদলের সক্রিয় নেতা হিসেবে নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন। নাটোর জেলার ছাত্রদলকে সুসংগঠিত রাখার জন্য টিম মেম্বারদের নিয়ে কাজ করার সময় অন্যান্য উপজেলার ন্যায় নলডাঙ্গা উপজেলার জনগণের নজর করেছেন তিনি।

VIVO – মেইন রোড, কাপাসিয়া বাজার। তার সাংগঠনিক কার্যকর্মের দৃঢ়তা,মিস্টভাসী সদাহাস্যজ্জল সাদা মনের মানুষ ও শ্রুতিমধুর কন্ঠের গঠনমূলক বক্তব্য নলডাঙ্গা বাসীদেরকে বিমোহিত করেছিলো।তৎকালীন সময়ে থেকে তিনি নলডাঙ্গাবাসীর নজর কেড়ে নিয়েছিল এবং তখন থেকেই রাজনৈতিক অঙ্গনে তাকে নিয়ে এই গুঞ্জন শুরু হয় যে, ভবিষ্যতে নলডাঙ্গা উপজেলায় এডভোকেট এম রাশেদুজ্জামান রাশেদকে নেতৃত্বে আসতে পারবে, অবস্থান গড়তে পারবে। নলডাঙ্গার গর্ব এই নেতা ছাত্রদল শেষে যুক্ত হন বিভিন্ন সামাজিক উন্নয়ন কমিটিতে। বিএনপির ডাকে বিগত সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন সংগ্রামে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন তিনি। ছাত্ররাজনীতির সময় থেকেই তিনি সাংগঠনিক দক্ষতা, নেতৃত্বগুণ এবং কর্মীদের সঙ্গে সুসম্পর্কের কারণে ব্যাপক পরিচিতি ও জনপ্রিয়তা লাভ করেন।
স্থানীয় অনেক রাজনৈতিক কর্মী জানান, নলডাঙ্গার রাজনীতিতে ভালো ও দক্ষ নেতৃত্বের প্রয়োজনীয়তা দিন দিন বাড়ছে। এ ক্ষেত্রে তরুণ, শিক্ষিত ও সাংগঠনিকভাবে দক্ষ কেন্দ্রীয় নেত্রীবৃন্দের কাছে পরিচিত একজন জনপ্রিয় নেতা হিসেবে রাশেদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন বলে তারা মনে করেন। তাদের মতে, তিনি যদি উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে মনোনয়ন পান, তাহলে এলাকার উন্নয়নে ইতিবাচক অবদান রাখতে সক্ষম হবেন।
এদিকে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও তাকে নিয়ে ব্যাপক আলোচনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। অনেকেই মনে করছেন, তরুণ প্রজন্মের প্রতিনিধি হিসেবে চেয়ারম্যান হলে তিনি শিক্ষা, অধিকার ও সামাজিক উন্নয়ন নিয়ে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবেন। এ বিষয়ে তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, জনগণের ভালোবাসা ও সমর্থনই তার সবচেয়ে বড় শক্তি। তিনি সবসময় মানুষের পাশে থাকতে চান এবং দেশের গণতন্ত্র, উন্নয়ন ও মানুষের কল্যাণে কাজ করে যেতে চান।এ ব্যাপারে তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীরা বলেন, দলীয় কার্যক্রম, সামাজিক উদ্যোগ এবং তৃণমূল পর্যায়ে যোগাযোগের মাধ্যমে তিনি ইতোমধ্যে একটি শক্ত অবস্থান তৈরি করেছেন। অনেকেই মনে করছেন, উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে মনোনয়ন পেলে তিনি উপজেলার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন।রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নলডাঙ্গায় নতুন ও সক্রিয় নেতৃত্ব সামনে এলে রাজনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আসতে পারে। আর সেই জায়গায় এডভোকেট এম রাশেদুজ্জামান রাশেদ এর নাম ইতোমধ্যে আলোচনায় উঠে এসেছে।
উল্লেখ্য, সাবেক ছাত্রদল নেতা রাশেদ কভিট ভাইরাস করোনা কালীন সময় প্রায় তিনটি বছর বিশ্ববাসী যখন ঘরবন্দী হয়ে জীবন যাপন করছিলো তখন নিজ দলীয় নেতা কর্মীদেরকে উজ্জীবিত রাখার জন্য প্রথমে ব্যক্তিগতভাবে ও পরে বিভিন্ন সামাজিকতার পক্ষ থেকে ভার্চুয়াল প্রোগ্রামের আয়োজন করে দলীয় নেতা কর্মী সমর্থকদের তাক লাগিয়ে দিয়েছিলেন। ছাত্রদলের নেতাকর্মীদেরকে সংগঠিত করার জন্য দেশের খ্যাতনামা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও বিভিন্ন জেলার ছাত্রদলের সাবেক ও বর্তমান নেতাদের নিয়ে প্রতি সপ্তাহে একটি করে ভার্চুয়াল সভার আয়োজন করতেন। নলডাঙ্গা উপজেলার ছাত্রদলের সাবেক বর্তমান নেতৃবৃন্দদের নিয়েও তখন তিনি সভা করেছিলেন । তার আয়োজিত এই সভা গুলোতে প্রধান অতিথি হিসেবে থাকতে দেখা গিয়েছে বিএনপির শীর্ষ পর্যায়ের নেতৃবৃন্দদের। নলডাঙ্গায় জন্ম নেওয়া এই বিচক্ষণ রাশেদ করোনা কালীন লকডাউনের সময় সাংগঠনিক তৎপরতা দেখিয়ে দল ও দেশবাসীর কাছে থেকে ভূয়সী প্রশংসা কুড়ান।